Saturday , August 18 2018
Breaking News
Home / উপসম্পাদকীয় / শহীদ জুনাইদ জমশেদ রহ -এর জীবন ও কর্ম : সৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ
ZJ

শহীদ জুনাইদ জমশেদ রহ -এর জীবন ও কর্ম : সৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ

ZJসংগীতজ্ঞ জুনায়েদ জামশেদ ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে জন্ম গ্রহণ করেন। গতকাল প্রিয়তমা জীবনসঙ্গিনী সহ এই মানুষটির শহীদী মৃত্যুতে শোকে কাতর মুসলিম বিশ্ব। বাংলাদেশের ও বাংলা ইসলামি সঙ্গিত ও ভাষার অকৃতিম বন্ধু ছিলেন তিনি। উর্দুর পাশাপাশি বাংলাতে আমাদের জন্য তিনি জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলামের রচিত নাত গেয়ে আমাদের চির ঋনী করে গেছেন। তার বণার্ঢ্য জীবন কর্ম এক পর্বে বা সংক্ষেপে লেখা আমার দ্বারা সম্ভব নয়। আল্লাহ তায়ালা যদি তাওফিক দান করেন, তাহলে তার জীবনের টুকটাক নানা স্মৃতি আর নানা তথ্য, গান আর দাওয়াতি মেহনতের চিত্র ও সাহাবাওয়ালী কুরবানী তুলে ধরব ধারাবাহিকভাবে আপনাদের সামনে। কিন্তু হৃদয় এতো বেশি মর্মাহত এবং এলোমেলো তাকে নিয়ে ঘুচিয়ে কিছু লিখা কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে আমার দ্বারা। তবুও বন্ধুদের অনুরোধ রক্ষায় কলম করলাম।

বাংলাদেশর এই অকৃতিম বন্ধু জুনাইদ জমশেদের কাছে যাবার সৌভাগ্য হয়েছে দেশে ও বিদেশে বহুবার। কাছে থেকে জমদেখে, দুর থেকে তাকে অধ্যায়ন করে যতটুকো জানি তা ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন তুলে ধরা হবে পাঠকের জন্য। এক সময় ছিলেন খ্যাতিমান পপ তারকা। যার সংগীতের খ্যাতি ছিল দুনিয়াজুড়ে। ইউরোপ আমেরিকাতে তার সংগীতের সমান সমাদর ছিল। তাকে একটি অনুষ্টানে প্রতি মিনিটের জন্য ১কোটি টাকা করে দিয়েছিল পেপসি (ঘটনাটি পরে বিস্তারিত লিখব)। সেই তিনি হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাযিঃ এর মতো তাবলীগ করতে করতে দ্বীনের জন্য একদিন জীবনের সব সম্পদ বিলিয়ে স্ত্রীর হাতে মাত্র একশ টাকা ধরিয়ে দিলেন শেষ সম্ভল হিসাবে।

ছোট বেলা থেকেই তার গানের চমৎকার গলা ছিল। মাঝে মাঝে বন্ধুদের ঘরোয়া আসরে গান গাইতেন। লাহোর বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন করার পর শখের বশে বন্ধুদের নিয়ে একটি ব্যান্ড দল গড়েন। প্রথম এ্যালবাম “দিল দিল পাকিস্তান” রিলিজ হওয়ার পর ঝড় ওঠে সঙ্গীত অঙ্গনে। বিশ্ব্যাপি সফলতার সর্বোচ্চ সিড়ি স্পর্শ করে ২০০২ সালে সঙ্গীত ক্যারিয়ার ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে ২০০৩ সালে স্থায়ীভাবে বিদায় জানান মিউজিক্যাল সঙ্গীতকে। সংগীতজ্ঞের এই ঘোষনায় পাকিস্তানজুড়ে কান্নার রোল পরে যায়। মেয়ারা প্রতিবাদ জানিয়ে কষ্টে আত্মহত্যা করা পর্যন্ত শুরু করে।

শুরু হল নতুন গল্প। ( দিন বদলের গল্পের ঘরে -বাহিরের নানা দিক ফুটে উঠবে ইনশাল্লাহ এই লেখার আগামি পর্বগুলোতে)। ২০০৩ সালের কথা। এর সগীতের ধরন বদল হয়ে তিনি আবার হাতে মাক্রোফোন নিলেন। ২০০৫ সালে রিলিজ হয় তার প্রথম ইসলামী এ্যালবাম “জালওয়া-ই-জানা”। ২০০৬-এ আসে, পৃথিবী ব্যাপী ননমিউজিক্যাল হামদ রেকর্ড করে বাজারে ছাড়ার সাথে সাথে হৈ চৈ পড়ে গেল। এরপর হামদ নাতের এলবাম তৈরী করে বাজারে ছাড়লে বিশ্বব্যাপি উর্দু এলবামের সর্বোচ্চ বিক্রির রেকর্ড ভঙ্গ করলো। মুফতি তকী উসমানীর লেখা তার কন্ঠে গাওয়া গান ক্রমশ পৃথিবীজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠল “এলাহী তেরী চৌকাট পর ভিখারী বানকে আয়া হো” আথবা “মুঝে জিন্দেগী মে এয়া রব” গেয়ে মানুষের অন্তরে জায়গা করে নেন পবিত্র ভাবে।

আজ তার মৃত্যুতে কাদছেন মুফতি ত্বকী উসমানী, মুফতি রফি উসমানী, মাওলানা তারিক জামিল দা বা সহ দুননিয়ার বড় বড় আলেমরা। কাঁদছেন প্রিয় বন্ধু জন্য সাঈদ আনোয়ার, ইউসুফরা। ভারত পাকিস্তান সহ কাঁদছে বাংলাদেশেরর লাখো ভক্ত। শোকে কাতর গোটা পৃথিবী।

আহ কত সৌভাগ্যের শাহাদতের মউত। স্ত্রী সহ সাহাবাদের মতো আল্লাহর রাস্তায় সফর করতে করতে মউত। ক’জনের নসিব হয়। নিজেকে কতোটা মাহবুবে হাকীকীর শাহী দরবারে কবুল করিয়েছিলে বন্ধু তার প্রমান তোমার শাহাদত। রাজশাহী বিশ্বিদ্যালয় সফরে গাড়িতে বসে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আপনার জীবনী লিখতে চাই, এক কথায় জুনাইদ জমশেদ উত্তর দিয়েছিলেন, ‘মওত কি বাদ’। আজ আপনি নেই, কিন্তু আপনাকে নিয়ে লিখা হবে অনেক কবিতা গান আর গ্রন্থ। বেঁচে থাকবে আপনার মেহনত অনন্তকাল হাজারো দাঈদের মাঝে। আপনার গান কোটি কোটি ভক্তদের কন্ঠে উচ্চারিত হবে। আপনার সৃষ্টিকর্ম ছড়াবে বিশ্বজুড়ে।

দাওয়াত ও তাবলীগের সৃষ্টি এমন লাখো জুনাইদ জমশেদের জন্য তোমার ত্যাগ কুরবানী পাথেয় হয়ে থাকবে। তোমার মৃত্যু কি শিক্ষা দিল বন্ধু আমাদের, আমরা যেন জুনাইদ জমশেদ তৈরির কাজে লেগে থাকি। ফিকির যেন হয় সেটাই। অকাজে আর ফেৎনা না ছড়িয়ে দুনিয়াতে কিভাবে জুনাইদ জমশেদদের সংখ্যা বাড়নো যায় সে মেহনতে জান মাল সময় দিয়ে যেন কাজ করতে থাকি। একদিন পৃথিবী হেরার জ্যোতিতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে।

দয়াময়, প্রিয় বান্ধাকে তোমার রহমতের পরশে সূখে রেখ অনন্তকাল…।

সৎ নিষ্টাবান সামরিক অফিসার জামশেদ আকবর খান ও মা নাফিসা আকবরের ৩ ছেলে ১ মেয়ের মাঝে জুনাইদ জমশেদ ছিলেন সবার বড়৷ তার ভাইদের নাম হুমায়ুন জামশেদ, ওমর জামশেদ৷ আর বোনের নাম মুনিজা জামশেদ৷

জুনায়েদ জামশেদ ছিলেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় রেকর্ডিংশিল্পী, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব, ফ্যাশন ডিজাইনার, অনিয়মিত অভিনেতা এবং গীতিকার। UET Lahore থেকে প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রী নেবার পর জুনায়েদ সংক্ষিপ্তভাবে একটি বেসামরিক PAF ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। ১৯৮৩ সালে রাহেল হায়াতের কাছ থেকে নির্দেশনা পাবার আগে তিনি বিভিন্ন স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে সঙ্গীতানুষ্ঠান করতেন।

তারপর শখের বশেই বন্ধু রাহেল হায়াত ও শাহজাদ হাসানের সঙ্গে ১৯৮৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশাত্মবোধক গান ‘দিল দিল পাকিস্তান’ গাওয়ার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন দেশের প্রথম পপ ব্যান্ড ‘ভাইটাল সাইন’৷ তাদের প্রথম হিট এ্যালবাম ‘দিল দিল পাকিস্তান’ এনে দেয় আকাশচুম্বী খ্যাতি। এই গানটিই ঘুরিয়ে দেয় তার জীবনের মোড়৷ পরিণত করে একজন শৌখিন সংগীতশিল্পী থেকে পেশাদার শিল্পীতে।

সংগীতটা আরম্ভ করেছিলেন অনেকটা শখের বশেই। কিন্তু প্রাথমিক সফলতার ফলে রাহেল ও সাজ্জাদ তাকে প্রেরণা যোগান। বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় এ্যালবাম বেরোবার পর ১৯৯৫ সালে যখন ব্যান্ড ভেঙে যায়, জুনায়েদ জামশেদ তখন একক ক্যারিয়ার গড়তে আরম্ভ করেন। এতেও তিনি অসম্ভব জনপ্রিয়তা অর্জন করেন৷ পাকিস্তানের প্রথম সারির পপস্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন নিজেকে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের সংগীত ‘কসম উস ওয়াক্ত কি’ পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সংগীত ‘পালাটনা ঝাপাটনা’তে শিল্পী হিসেবে নির্বাচিত করে তাকেই। জনপ্রিয়তায় যখন তুঙ্গে তখনই হঠাৎ সঙ্গীত ছেড়ে দেবার ঘোষণা দেন ২০০২ সালে সংবাদ সম্মেলন করে। সর্বশেষে তাবলীগে গিয়ে তওবা করে ২০০৩ সালের ১৪ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে সংগীত জগতকে বিদায় জানান তিনি৷ যদিও পরে ইসলামি সংগীতে আবার তিনি নতুন ধারা তৈরি করে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন।

১৯৮৩ সালে রাহেল হায়াতের কাছ থেকে নির্দেশনা পাবার আগে তিনি বিভিন্ন স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে সঙ্গীতানুষ্ঠান করতেন। তাঁর ‘দিল দিল পাকিস্তান’ এবং ‘তুম মিল গায়ে’ জনপ্রিয় সঙ্গীত হিসেবে খ্যাতি পায় সেকালে। ‘দিল দিল পাকিস্তান’ গাওয়ার মাধ্যমে যেমন সঙ্গীতজীবন আরম্ভ করেছিলেন, ঠিক তেমনই একই গানের মাধ্যমে সঙ্গীতজীবনের পরিসমাপ্তিও ঘটান। মেধাবী এই শিল্পী তার প্রাপ্তির সর্বোচ্চ স্তরে অবস্থান করেও খ্যাতির বদলে ঈমানকে বেছে নেন। তিনি বলতেন, ‘আমার আগের জীবন যাপনের কোনো দৃষ্টিভঙ্গি এখন আর অবশিষ্ট নেই। আমার নতুন জীবন খুব সরল, পবিত্র এবং সুন্দর। আমি অনুভব করি, আপনি আপনার জীবনেও আল্লাহর হুকুম ও রাসুলের তরিকার ওপর আমল করেন৷ তাহলে দুনিয়াতেই আপনার জীবন জান্নাতে পরিণত হবে।’

১৯৮৩ সাল থেকে ২০০৪ সাল অবধি তিনি পাকিস্তানের পপ রকসম্রাট ছিলেন৷ ১৯৮৭ সাল থেকে ২০০৪ সাল অবধি পাকিস্তানের পপ গীতিকার, সুরকার হিসেবেও কাজ করেন৷ পরিশেষে ২০০২ সাল থেকে মৃত্যু অবধি উর্দু গজল, হামদ-নাতের বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও শ্রোতাদের মনের কাবায় ভালোবাসার স্থান লাভ করেন৷ তার বিখ্যাত এ্যালবামের মাঝে ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত ‘উস রাহ পর’ ১৯৯৩ সালে ‘মেরা দিল’ ২০০৫ সালে ‘মুহাম্মদ কা রওজা’ ও ‘জালওয়া-ই জানান’ ২০০৬ সালে ‘মেহবুবে ইয়াজদান’, ২০০৮ সালে ‘ইয়াদে হারাম’, ২০১২ সালে ‘দিল দিল পাকিস্তান’ এবং ২০১৬ সালে ‘উম্মাতি’ উল্লেখযোগ্য৷ তার গাওয়া সঙ্গীতের সংখ্যা কয়েক শতাধিক।

২০০৮ সালে বাংলাদেশে এলেন, তাঁর সাথে আমার প্রথম পরিচয়, মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন ভাই তার সাথে সবাক্ষনিক ছিলেন। তাকে নিয়ে মাগরিবের পর স্ট্যাইজে উঠলেন। হাজার হাজার ভক্তের সামনে মঞ্চে এসে নবী প্রেমিক জুনাইদ জমশেদ বললেন, এখন হজ্জ্বের মাস। সবাই মক্কা যাচ্ছে। মদীনা যাচ্ছে। কত খুশী তাদের। চলুন আমরাও মদীনা যাই। গাইলেন “ইয়ে সুবহে মাদীনা, ইয়া শামে মাদীনা.. মুবারাক তুঝে ইয়ে ক্বায়ামে মাদীনা.. মাদীনা মাদীনা”। আমরাও তার সাথে সাথে গাইতে আরম্ভ করলাম। মনে হচ্ছিল যেন এই বুঝি মদীনায় পৌঁছে গেছি। মসজিদে নববীর মিনার দেখতে পাচ্ছি। আহ, সে যে কি শান্তি। যারা ঐদিন উপস্থিত ছিলেন শুধু তারাই বুঝতে পারবেন।

এরপরে গাইলেন “মুহাম্মাদ কা রাওজা কারীব আ রাহা হ্যায়, বুলান্দি পে আপনা নাসীব আ রাহা হ্যায়.. ফেরিশতো ইয়ে দে দো পায়গাম উন কো, খাবার যাকে দে দো উন কো ফেরিশতো, কে খাদিম তুমহারা সাঈদ আ রাহা হ্যায়……আহ!!

এত আবেগ, মন মাতানো সূর দিয়ে হৃদয়ের এত গভীর থেকে যে কেউ গজল গাইতে পারে তা সেদিন জুনায়েদ জমশেদ ভাইকে না দেখলে বুঝতে পারতামনা। হঠাৎ খেয়াল করে দেখলাম চোখের মধ্যে পানিই এসে পড়েছে। এবার আবার আমাদের নিয়ে গেলেন মদীনায়। মদীনার আকাশ বাতাস সব জায়গায় যেন প্রিয় নাম,, মোহাম্মদ। হুজুর (সাঃ) এর প্রতি কি পরিমাণ অনুভূতি সেদিন জাগিয়ে দিয়েছিলেন তা বলে বুঝাতে পারবনা। গাইলেন আমার সবচেয়ে প্রিয় গজল “মিঠা মিঠা পেয়ারা পেয়ারা মেরে মুহাম্মাদ কা নাম, হাম সাব ভেজে উন পে হাজারো লাখো দুরুদ সালাম””

আমরাও তার সঙ্গে সঙ্গে গাইলাম,,,এরপর আরো কয়েকটা হামদ- নাত গাইলেন। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল তখন যখন তিনি সবাইকে অবাক করে দিয়ে একটা বাংলা নাত গেয়ে শুনালেন। এটা নাকি তার এক বাঙ্গালী বন্ধু শিখিয়েছেন। “””নবী মোর পরশমনি,,,নবী মোর সোনার খনি,,, এই অবস্থা দেখে আর-জে নীরবও আর নীরব থাকতে পারলেননা। চিৎকার দিয়ে বলে উঠলেন ওয়াও, অসাধারাণ সত্যিই অসাধারণ। সত্যিই এই “নবী মোর পরশমনি” যেন শুধু তার কণ্ঠেই মানায়। আহ!! আবার চোখের মধ্যে পানি…..

এরই মাঝে ফাকে ফাকে জুনাইদ জামশেদ কিছু কথা বললেন। নিজের জীবনের কথা, পরিবর্তনের কথা ইত্যাদি। দর্শক সারি থেকে হঠাৎ হঠাৎ-ই তাকবীর ধ্বনি ভেসে আসল। আর জুনাইদ জামশেদ বলছেন, “দোস্তো! ইয়াকীন মানো। হাম নে বহত সারে মেহফিল কী। বহত সারে মেহফিল দেখহা। লেকিন আজ যেয়সে ইতনা রওনাক অর শানদার অর বাড়ে মেহফিল মেয়নে কাভি নেহি দেখা। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলে উঠলেন আবার বললেন, দেখো ভাই ইয়ে দ্বীন ভি কিতনা আজীব হ্যায়। সাব কো এক কার দেতা হ্যায়। বাংলাদেশী, ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি, আমরিকান,, সাব কো ভাই ভাই বানা দেতা হায়।

আরেকটি মূল্যবান কথা বললেন, ভাই, আজ ইয়াহা আনে”কা মাকসাদ কেয়া হ্যায় জানতে হো? ওয়াদা কারো কে আজ কে বা’দ কাভি গানা নেহি সুনেঙ্গে। দোস্তো, ইয়ে গানা তো হামারা নেহি হ্যায়। হামারা তো হ্যায় ক্বিরাত, হামদ অর নাত। সবাই হাত তুলে ওয়াদা করল। তিনি বললেন,আল্লাহ তুমকো জাযায়ের খাইর দে।

দয়াময়, তোমার নবীর আশেক এই প্রিয় মানুষটির সকল গোনাহ মাফ করে দিয়ে, তুমিও তাকে উত্তম জাজায়ে খাইর দান কর।

 

Check Also

fire

‘মগের মুল্লুকে’ মুসলিম গণহত্যা: মুহাম্মদ খায়রুল বাশার 

মিয়ানমারে চলছে মুসলিম নিধন। দেশটি থেকে মুসলিম জাতিগোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ নির্মূল করার পাঁয়তারা চলছে। জাতিসঙ্ঘের একজন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *