Saturday , August 18 2018
Breaking News
Home / অন্যান্য / ফেসবুক স্ট্যাটাস / মুসলমানদের বিশাল অস্ত্রভান্ডারের প্রয়োজন পড়ে না, প্রয়োজন আল্লাহর সাহায্যের
12938094_1857581734468886_9085374730828200604_n

মুসলমানদের বিশাল অস্ত্রভান্ডারের প্রয়োজন পড়ে না, প্রয়োজন আল্লাহর সাহায্যের

12938094_1857581734468886_9085374730828200604_nসালাহুদ্দীন মাসউদ:

হ্যাঁ আমরা স্বীকার করি, মুসলমানরা যখন আল্লাহর সঙ্গ থেকে দূরে সরে যায়; আল্লাহপাক তাদেরকে শাস্তি প্রদান করেন। জালিম চাপিয়ে দেন। মুসলমানদের রক্ত ঝরে। ঘরছাড়া হতে হয়। হাজার হাজার বাচ্চাদের ইয়াতিম হতে হয়।

আমি বিশ্বাস করি, মুসলমানদের উপর চাপিয়ে দেয়া আল্লাহ প্রদত্ত এই শাস্তি- আল্লাহপাকে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। আল্লাহপাক চান, আমার বান্দারা আমার পানে ছুটে আসুক। আমার ভালোবাসার ছায়াতলে আশ্রয় নিক। এক আল্লাহতে বিশ্বাসী মুসলিমরা যখন লজ্জিত হয়ে আল্লাহর দিকে এক ধাপ অগ্রসর হয়, আল্লাহপাক তাদের দিকে দুই ধাপ অগ্রসর হন। আল্লাহর বান্দারা যখন আল্লাহর পানে হেঁটে হেঁটে অগ্রসর হয়, আল্লাহপাক তাদের দিকে দৌড়ে অগ্রসর হন। এটা হাদিসের বাণী।
বিশ্ব ইতিহাসে যতবার মুসলমানরা নিপীড়নের শিকার হয়েছে, তার কিছু সময় পর থেকেই মুসলিমদের বিজয় আরম্ভ হয়েছে।
দুই হাজার শতাব্দী শুরু হওয়ার পর থেকে মুসলমানরা ব্যাপকভাবে নিপীড়নের শিকার হয়েছে। আজও হচ্ছে। যখনই আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর হুকুম পালনে এক ধাপ অগ্রসর হয়েছে, আল্লাহপাক তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
আজ দেখুন ইরাক ও সিরিয়ায়। জালিম আসাদের সঙ্গী হয়েছে ক্ষমতাধর রাশিয়া। তারা কি এক আলেপ্পো শহর মুসলিমমুক্ত করতে পেরেছে। খবর আসছে, আসাদ বাহিনী পলায়ন করছে। মুসলিমদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া পালমিরা থেকে রাশিয়ার সৈন্যরা পালাচ্ছে। এর কারণ কী? কারণ একটাই। ওখানকার মুসলমানরা আল্লাহর দিকে ধাপিত হয়েছে। আল্লাহপাক তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
ইরাক সিরিয়ায় কয়জন মুসলিম প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে? রাশিয়া আমেরিকার মতো পরাশক্তি যেখানে শত্রু, সিরিয়া ইরানের অস্ত্র ভান্ডার যেখানে তাক করা, সারা দুনিয়া থেকে শিয়া মিলিশিয়ারা যেখানে ছুটে গেছে মুসলিম নিধনে, আজ খবর বেড়িয়েছে- ইউরোপের দুই থেকে আড়াই হাজার সৈন্যও সেখানে যুদ্ধে লিপ্ত; এতো এতো শক্তির সমন্বয়ে সেখানে কি তারা প্রতিরোধ গড়া মুসলিমদের বিনাশ করতে সক্ষম হয়েছে? শক্তির তুলনা করলে তো এতদিন তাদের ধুলোর সঙ্গে মিশে যাওয়ার কথা। যেসব দেশ শত বছরের পরিশ্রমে পরাশক্তির রূপ ধারণ করেছে, সেখানে মাত্র দশ বছরে গড়ে ওঠা সামান্য সংখ্যক মুসলিমদের কাছে তারা নাকানি-চুবানি খাচ্ছে কেন?
ইয়েস, এটাই ভাবনার বিষয়। আল্লাহপাকের সাহায্যের কাছে পৃথিবীর কোনো শক্তির দাম নেই। আমি একার প্রতি যদি আল্লাহপাকের সাহায্য বিদ্যমান থাকে, সারা দুনিয়ার শক্তি আমার একটি চুলও বাঁকা করতে পারবে না।
আজ বার্মায় মুসলিম ভাইয়েরা নিপীড়িত। এক আল্লাহর দিকে রুজু হও সবাই। মুসলমানদের বিশাল অস্ত্রভান্ডারের প্রয়োজন পড়ে না, প্রয়োজন আল্লাহর সাহায্যের। আর এর জন্য প্রয়োজন আল্লাহর গোলামীর। আসুন, আমরা আল্লাহর প্রকৃত গোলাম হওয়ার চেষ্টা করি। তবেই আসবে ইসলামের বিজয়। ফিরে আসবে আমাদের সম্মান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *