Tuesday , September 18 2018
Breaking News
Home / খেলাধুলা / ক্রিকেট / ওয়ার্নারের কল্যাণে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ লজ্জা ফিরিয়ে দিলো অস্ট্রেলিয়া
wewewe

ওয়ার্নারের কল্যাণে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ লজ্জা ফিরিয়ে দিলো অস্ট্রেলিয়া

wewewe২০০৭ সালে দেশের মাটিতে তৃতীয় চ্যাপেল-হ্যাডলি ট্রফির তিন ম্যাচের সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দিয়েছিলো নিউজিল্যান্ড। এবার ডেভিড ওয়ার্নারের ব্যাটিং নৈপুন্যে কিউইদের সেই লজ্জা ফিরিয়ে দিলো অসিরা। ওয়ার্নারের ১৫৬ রানের কল্যাণে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ১১৭ রানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করায় ৩-০ ব্যবধানে সিরিজও জিতে নেয় অসিরা।
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্বান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৩২৪ ও ৩৭৮ রানের বড় সংগ্রহ দাড় করিয়েছিলো অসিরা। তাই এবারও সেই লক্ষ্যে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত স্মিথের।
কিন্তু শুরুতেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ১১ রানের মধ্যে ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ ও স্মিথ ফিরে যান। ফিঞ্চ ৩ ও স্মিথ শুন্য রানে ফিরেন। অবশ্য পরের দিকের ব্যাটসম্যানরাও খুব বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। তবে আরেক ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারের ব্যাটে চড়ে রানের চাকা চলছিলো অস্ট্রেলিয়ার।
দলের জন্য রান যোগার করতে গিয়ে নিজের ৯৫ বলেই সেঞ্চুরি তুলে নেন ওয়ার্নার। এসময় অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ছিল ৩৭ দশমিক ২ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭১ রান। চলতি বছর এটি সপ্তম সেঞ্চুরি ছিলো ওয়ার্নারের। ফলে এক বছরে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির তালিকায় ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীকে স্পর্শ করেন তিনি।
তিন অংকে পা দিয়েও থমকে যাননি ওয়ার্নার। দলকে বড় স্কোরের পথে নিয়ে গেছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে ২৬৪ রানে পৌছে দিয়ে ইনিংসের শেষ বলে রান আউটের ফাঁেদ পড়েন ওয়ার্নার। আউট হবার আগে ওয়ার্নারের নামের পাশে জ্বলজ্বল করছিলো ১৫৬ রান। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১১তম সেঞ্চুরির ইনিংসে ১২৮ বল মোকাবেলা করে ১৩টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন ওয়ার্নার। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে পেসার ট্রেন্ট বোল্ট ৩টি উইকেট নিয়েছেন।
জয়ের জন্য ২৬৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকে ভালোভাবেই এগোচ্ছিলো নিউজিল্যান্ড। ৪৪ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ১৩ ওভারে ৭১ রানেও পৌছে যায় তারা। কিন্তু এরপরই নিউজিল্যান্ড ইনিংসে ব্যাটিং ধস নামে। সেই ধস আর কোন ব্যাটসম্যানই রুখতে পারেনি। ফলে ৭৩ রানের ব্যবধানে শেষ ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রানেই গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। তাতে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা পেতে হয় কিউইদের। এই ইনিংসে দলের পক্ষে মার্টিন গাপটিল ৩৪, টম লাথাম ২৮ ও কলিন মুনরো ২০ রান করেন। অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক ৩ উইকেট নেন। ম্যাচ ও সিরিজ সেরা হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ওয়ার্নার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
অস্ট্রেলিয়া : ২৬৪/৮, ৫০ ওভার (ওয়ার্নার ১৫৬, হেড ৩৭, বোল্ট ৩/৪৯)।
নিউজিল্যান্ড : ১৪৭/১০, ৩৬.১ ওভার (গাপটিল ৩৪, লাথাম ২৮, স্টার্ক ৩/৩৪)।
ফল : অস্ট্রেলিয়া ১১৭ রানে জয়ী।
সিরিজ : তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জয়ী অস্ট্রেলিয়া।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : ডেভিড ওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া)।
ম্যান অব দ্য সিরিজ : ডেভিড ওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া)।

Check Also

bg

দ্বিতীয় হোয়াইওয়াশের লজ্জা এড়ানোর মিশনে বাংলাদেশ

একুশবিডি24ডটকম । সফরে দ্বিতীয় হোয়াইটওয়াশ হওয়ার লজ্জা এড়াতে টি-২০ সিরিজের শেষ ম্যাচে কাল মাঠে নামবে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *