Sunday , December 9 2018
Breaking News
Home / আইন ও বিচার / এরশাদের রাডার ক্রয় মামলা, সাক্ষ্যগ্রহণের আদেশ বাতিল
ershad

এরশাদের রাডার ক্রয় মামলা, সাক্ষ্যগ্রহণের আদেশ বাতিল

ershadএকুশবিডি24ডটকম। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা বিমানের রাডার ক্রয়সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় অভিযোগপত্রে থাকা সাক্ষ্য পরীক্ষার সুযোগ দিতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান সুলতান মাহমুদের করা (লিভ টু আপিল) নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেওয়া হয়।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যর আপিল বিভাগ আজ রোববার এ আদেশ দেন।

এর আগে বিচারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এক আবেদন নিষ্পত্তি করে গত বছরের ২৪ নভেম্বর হাইকোর্ট মামলাটি যুক্তিতর্ক শুনানির পর্যায় থেকে প্রত্যাহার করে অভিযোগপত্রে থাকা সাক্ষ্য পরীক্ষার জন্য প্রসিকিউশনকে (দুদক) সুযোগ দিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতকে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে বিচার শেষ করতে নির্দেশ দেন। এই আদেশ স্থগিত চেয়ে মামলার অপর আসামি বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান সুলতান মাহমুদ ওই আবেদন করেন। চেম্বার বিচারপতি গত বছরের ২০ ডিসেম্বর এ আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগে আসে।

আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী শামসুদ্দিন বাবুল। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, অভিযোগপত্রে থাকা সাক্ষীদের পরীক্ষা করার সুযোগ দিতে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিলেন তা বাতিল করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। যুক্তি-তর্ক শুনানির পর্যায় থেকেই মামলাটি চলবে, বলেছেন আদালত।

আইনজীবী সূত্র বলেছে, ওই মামলার অভিযোগপত্রে প্রসিকিউশন (দুদক) পক্ষে ৩৮ জন সাক্ষী ছিল। এর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। পরে সাক্ষী সমাপ্ত করে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। এ অবস্থায় বাকিদের সাক্ষী নেওয়ার জন্য যুক্তিতর্ক পর্যায় থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে নিতে বিচারিক আদালতে আবেদন করে দুদক, যা গত বছরের ৭ নভেম্বর খারিজ হয়। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক। এই আবেদন নিষ্পত্তি করে গত বছরের ২৪ নভেম্বর হাইকোর্ট নির্দেশসহ আদেশ দেন।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৯২ সালের ৪ মে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো ওই মামলা করে। এতে অভিযোগ করা হয়, এরশাদসহ অপর আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আর্থিক সুবিধা নিয়ে থমসন সিএসএফ কোম্পানির রাডার না কিনে বেশি দামে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টিং কোম্পানির রাডার কেনেন। এতে সরকারের ৬৪ কোটি ৪ লাখ ৪২ হাজার ৯১৮ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। তদন্ত শেষে ১৯৯৪ সালের ২৭ অক্টোবর আদালতে এরশাদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ১৯৯৫ সালের ১২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। অন্য আসামিরা হলেন বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান সুলতান মাহমুদ, তৎকালীন সহকারী প্রধান মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ও ইউনাইটেড ট্রেডার্সের পরিচালক এ কে এম মুসা।সূত্র : প.আ

Check Also

DSC03465

মূর্তি স্থাপন ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্র -মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম

মূর্তি স্থাপনের মাধ্যমে আদিকাল থেকে চলে আসা বাংলার ধর্মীয় সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করা হচ্ছে। এদেশের মানুষ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *